হট ভয়েস

Gallery

বিক্রয় ডট কম এবং এখানেই ডট কম এর প্রতারনা থেকে সাবধান

বিক্রয় ডট কম এবং এখানেই ডট কম এর প্রতারনা থেকে সাবধান
দেশের জনপ্রীয় পন্য বিক্রি মাধ্যম বিক্রয় ডট কম এবং এখানেই ডট কম। এখানে যেমন চলছে বেচা বিক্রির হরদমাদম তেমনি চলছে বড় ধরনের চিটারী এবং বাটপারি। আমি নিজে ভুক্তভুগি। গত কাল আমি একটা মোবাইল ফোন কেনার জন্য এখানেই ডট কম এ ডুকলাম এবং এখানেই ডট কম থেকে সেট কেনার জন্য একটা টিউন সিলেক্ট করলাম। এবং কনপার্মও হলাম যে, সেট ঠিক আছে কিন্তু যখন ওই ছেলে আমাকে সেট পাঠাবে তখন আমি এস এ পরিবহনে যোগাযোগ করি। তাদের সহায়তায় আমি পরে জানতে পারলাম যে, আমাকে যে মোবাইল ফোন পাঠাবে সেটা আমি যে মোবাইল চাইছি সে মোবাইল নয়।  পরে আমি আর সেই সেট রিসিভ করিনা। তারপর আজ সকাল বেলায় বিক্রয় ডট কম থেকে একটা মোবাইল সিলেক্ট করলাম সবার দেখার জন্য লিংটাও দিলাম।
http://bikroy.com/en/ad/symphony-p6-original-for-sale-sylhet-63
এই ছেলে আমাকে সব  বলে কয়ে কুরিয়ার সার্ভিস বাবদ বিকাশের মাধ্যমে ২৮৫ টাকা নিয়েছে
ছেলেটির মোবাইল নাম্বার হলোঃ 01833297500 এই নাম্বার। ছেলেটি টাকা নেওয়ার পর আর আমার ফোন রিসিভ করছেনা এবং পরে মোবাইল বন্ধ করে রেখেছে।

আপনাদের সবার কাছে আমার আকুল আবেদন বা অনুরোধ যে, কেউ কোন ভাবেই বিক্রয় ডট কম বা এখানেই ডট কম থেকে পন্য কিনতে সরাসরি যোগাযোগ করে কিনবেন তা ছাড়া  এভাবে আমার মত আর কেউ ভুল করবেন না।
আর এই ছেলেটির বাড়ি সিলেট। টেকটিউনসের সিলেটের কোন ইঞ্জিনিয়ার ভাই যদি থাকেন তাহলে পারলে ছেলেটাকে উচিৎ শিক্ষা দিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করবেন যেকোন ভাবে।

ভিডিও শেয়ার হবে এখন সানগ্লাসের মাধ্যমে

ভিডিও শেয়ার হবে এখন সানগ্লাসের মাধ্যমে
সানগ্লাস সাধারনত রোদ, ধুলাবালি থেকে চোখকে বাঁচানোর একটি মাধ্যম। তবে এখন শুধু চোখ প্রটেকশনের মধ্যে নেই সানগ্লাস।এখন ফ্যাশনের অন্যতম একটি সামগ্রী হচ্ছে সানস্লাস।বিভিন্ন ডিজাইনের, কালারের সানগ্লাস আসছে বাজারে। সেই ধারাবাহিকতায় বাজারে আসছে নতুন ধরনের সানগ্লাস। তবে এই সানগ্লাস এ রয়েছে কিছুটা ভিন্নতা। এই সানগ্লাসের মাধ্যমে ভিডিও শেয়ার করা যাবে। এমনই এক ধরনের সানগ্লাস বাজারে নিয়ে আসছে স্ন্যাপচ্যাট। স্ন্যাপচ্যাট একটি ম্যাসেজিং অ্যাপ কোম্পানি।
স্ন্যাপচ্যাট এই অত্যাধুনিক সানগ্লাসের নাম দিয়েছে স্পেকট্যাকলস। এর সানগ্লাসের মাধ্যমে ভিডিও শেয়ার করা যাবে।
এই সানগ্লাসটিতে একটি ছোট ক্যামেরা বসানো আছে। এই ক্যামেরাটিতে লেন্সের কোন হচ্ছে ১১৫ ডিগ্রী। লেন্সের জন্য এই সানগ্লাসের ক্যামেরা দিয়ে ধারন করা ভিডিও দেখলে মনে হবে যেন মানুষের চোখ দিয়ে দেখা দৃশ্য দেখছেন আপনি।
এই সানগ্লাস দিয়ে ধারন করা ভিডিওটি সরাসরি স্ন্যাপচ্যাট এ চলে আসবে। এবং এর মাধ্যমে সেখান থেকেই স্ন্যাপচ্যাট ব্যবহারকারীদের সাথে ভিডিওটি শেয়ার করা যাবে।
এই সানগ্লাসের ক্যামেরার সাহায্যে ৩০ সেকেন্ড পর্যন্ত ভিডিও একবারে রেকর্ড করা যাবে। স্পেকট্যাকলস নামের এই ম্যাসেজিং অ্যাপ সহ সানগ্লাসটির দাম হবে ১৩০ ডলার। এই বছরের মধ্যেই সানগ্লাসটির বাজারে আসার কথা রয়েছে। সানগ্লাসের মধ্যে ম্যাসেজিং অ্যাপ ছাড়ার সাথে সাথেই এই স্ন্যাপচ্যাট কোম্পানি তার কোম্পানির নাম বদলে ফেলেছে। আর নাম পরিবর্তনের কারন হচ্ছে এই অ্যাপটি এখন আর শুধু ম্যাসেজিং অ্যাপ এর মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। এখন এর সাথে ভিডিও শেয়ার যোগ হয়েছে। তাই এখন এই কোম্পানির নাম শুধু স্ন্যাপ।

ডাউনলোড করে নিন Oxford Pocket Dictionary

ডাউনলোড  করে নিন Oxford Pocket Dictionary
আজ আমি আপনাদের একটা সফটওয়্যার এর লিঙ্ক দেব। সফটওয়্যারটির নাম Oxford Pocket Dictionary। এটি খুব ছোট সাইজ এর কিন্তু খুব এ ভাল মানের সফটওয়্যার।সবচেয়ে বড় কথা হলো Oxford Pocket Dictionary টির একটি বিশেষ গুন আছে। আপনি যখন কোন শব্দ খুজবেন তখন তার meaning আসবে এবং সেই meaning এর কোন শব্দ যদি আপনি না জানেন তাহলে এই শব্দের উপর click করলেই তার meaning চলে আসবে। আপানাকে আর আলাদা করে ওই শব্দের meaning টাইপ করে খুজতে হবে না।
ডউনলোড লিংকের জন্য এখানে ক্লিক করুনঃ"Oxford Pocket Dictionary"

নষ্ট মেমোরি কার্ড ঠিক করুন একদম সহজ উপায়ে

নষ্ট  মেমোরি কার্ড ঠিক করুন একদম সহজ উপায়ে
প্রজুক্তির সাথে থাকতে ভাল লাগে।
আজ আবার আপনাদের সামনে একটি অ্যাপ নিয়ে আসেছি। আশা করি আপনাদের ভাল লাগবে।
ভালো লাগলে টিউমেন্ট করবেন। তো আর কথা না বারিয়ে শুরু করা যাক।

নষ্ট মেমোরি কার্ড ঠিক করুন আমাদের অনেকের ই মেমোরি কার্ড নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।
কিন্তু আমরা মেমোরি গুলো ঠিক না করে বাইরে ফেলে দিচ্ছি কখনও হয়ত ঠিক করার চেষ্টা ও করি নি।

 তাই আমি আজ আপনাদের একটা সফটওয়্যার নিয়ে এসেছি যেটি ব্যবহার করে নষ্ট মেমোরি কার্ড ঠিক করতে পারবেন।
প্রথমে সফটওয়্যার টি ডাউনলোড করে নিন।

Download link: click here


এবার সেটআপ দিন। তারপর আপনার নষ্ট মেমোরি ঢুকান এবার সফটওয়্যার
→টি OPEN করুন তারপর আপনার মেমোরি সিলেক্ট করুন তারপর NTFS সিলেক্ট করুন Quick Format সিলেক্ট করুন THEN Start
বাটনে ক্লিক করুন। কিছু সময় অপেক্ষা করুন।ব্যাস কাজ শেষ।
অ্যাপটির সাইজ মাত্র 1.6mb। আশা করি কোন সমস্যা হবেনা।
কেউ কপি করবেন না। আমাদের অনেকের কপি করার অব্বভাস আছে। আর কপি করলে ক্রেডিট দিয়ে দিয়েন।
কেউ বাজে কথা বলবেন না। আশা করি।
তো আজ আর নয়। আজকের মত এ পর্যন্তই।
ভালো থাকবেন।

বিনামূল্যে যোগাযোগ করুন মোবাইল অপারেটরের কাস্টমার কেয়ারে

বিনামূল্যে যোগাযোগ করুন মোবাইল অপারেটরের কাস্টমার কেয়ারে
খুটিনাটি বিভিন্ন প্রয়োজনে আমাদের মোবাইল অপারেটরের কাস্টমার কেয়ারে কথা বলতে হয়।আমরা অনেক জানি না যে, সব কয়টি মোবাইল অপারেটরের রয়েছে একটি সাধারণ অভিযোগ ডায়েলিং নাম্বার।এই অভিযোগ ডায়েলিং নাম্বার এ গ্রাহকরা অভিযোগ করলে মোবাইল অপারেটরের কাস্টমার কেয়ার থেকে নিদিষ্ট সময়ের মধ্যে যোগাযোগ করা হয় গ্রাহকের সাথে।

(প্রিয় টেক) খুটিনাটি বিভিন্ন প্রয়োজনে আমাদের মোবাইল অপারেটরের কাস্টমার কেয়ারে কথা বলতে হয়।আমরা অনেক জানি না যে, সব কয়টি মোবাইল অপারেটরের রয়েছে একটি সাধারণ অভিযোগ ডায়েলিং নাম্বার।এই অভিযোগ ডায়েলিং নাম্বার এ গ্রাহকরা অভিযোগ করলে মোবাইল অপারেটরের কাস্টমার কেয়ার থেকে নিদিষ্ট সময়ের মধ্যে যোগাযোগ করা হয় গ্রাহকের সাথে।

যেভাবে অভিযোগ করবেন :

• প্রথমেই যে কোন অপারেটর থেকে ১৫৮ এ কল করুন।

• তারপর আপনার ভাষা নির্বাচন করুন।

•এবার আপনার যেকোনো একটি বিষয় এ অভিযোগ নির্বাচন করুন।

• অভিযোগ নির্বাচন করা শেষ হলে আপনার কাছে একটি মেসেজ আসবে এবং বলা হবে নিদিষ্ট (২৪ ঘণ্টা) সময়ের মধ্যে আপনার সাথে একজন কাস্টমার কেয়ার প্রতিনিধি যোগাযোগ করবেন।

কাজেই ১৫৮ এ নাম্বার ডায়েল করে আপনি আপনার গ্রামীনফোন, বাংলালিংক, রবি ও এয়ারটেল থেকে অভিযোগ করে বিনামূল্যে কাস্টমার কেয়ারের সুবিধা নিতে পারবেন।

রেঞ্জার আমার বন্ধু (আমার প্রথম সাইন্সফিকসন)

রেঞ্জার আমার বন্ধু (আমার প্রথম সাইন্সফিকসন)
জেল খানায় নিরবে বসে যখন আমি জামিনের অপেক্ষায় ছিলাম ঠিক তখন ই ওর সাথে আমার পরিচয়। ওর নামে রেঞ্জার।জেলখানার অন্য সব রোবটের তুলনায় ও আলাদা
কিছ দিন আগেও জেলখানাতে কোন রোবট ছিল না তবে এখন আছে । জেলখানার কয়েদিরা ড্রে,ন মলের টাঙ্ক পরিস্কার এগুলো করতে অসিস্কৃতি জানায় ।কতৃপক্ষ অবশ্য প্রথমে মেনে নিতে রাজি হয়নি ,ফলে কয়েদিরা স্ট্রাইক করে বসে গুলি ও চালানো হয় ।কয়েক জনের মৃতু্র পর দেশের অন্যতম বিজ্ঞানি ডঃ এডওয়াড এর সমাধানের জন্য কতৃপক্ষ এর নিকট আকটি প্রস্তাব দেন । তিনি বলেন কতৃপক্ষ চাইলে তিনি কিছু রোবট তৈরী করে দিতে পারেন ,এই রোবট বানানোর কাজে আমিও ডঃ এড ওয়াডের সাথে কাজ করেছিলাম ।
তবে রেঞ্জার এই শ্রমিক রোবটের মধ্যে পরেনা।তাকে ডঃ রেঞ্জার তৈরী করেছিলেন ।এর বৈশিষ্ট্য হল ও মানুষের মস্তৃকে হাত দিলে মানুষ যা কল্পনা করত ওর বুকের লাইভ মনিটরে দেখা যেত।
আমাকে যে অপরাধে জেল খানায় পাঠানো হয়েছে তা আমি করিনি ।আমার স্টুডেণ্ট রিট্রন আমাকে জেলে পাঠানোর জন্য দায়ি । সে এখন দেশের সি আই ডি এর প্রধান।
আমার স্ত্রী রজনী আর ও দু জন ছিল আমার স্টুডেন্ট ।কিন্তু রজনীর সুন্দর ঠোট,চোখ কোমল ব্যবহার আমাকে প্রবল ভাবে আকৃষ্ট করেছিল বলেই আমি ওকে আমার মনের কথা জানায় ও রাজি হয়ে যায় ।তখন থেকেই রিট্রনের সাথে আমার দন্দ।ও রজনীকে খুব পছন্দ করত ।তবে সে কথা রজনী জানত না তাই, ওর কাছ থেকে আমাকে দুরে নিয়ে জাবার জন্যই আমার বিরধ্যে ওর রিপোট।
আমি আদালতে বারবার বলেছে স্যার আমি সরকারী তথ্য সম্বলিত যে website ওটা হ্যাক করিনি রিপোটে যে Ip ও Mac address দেওয়া আছে ওটা আমার নয় ।
তবে রেঞ্জারের জেলে আসার কারন আলদা আমি তাকে জিজ্ঞাস করেছিলাম ,ও বলেছিল অনুমতি না নিয়েই একজনের মস্তিস্ক স্ক্যান করে তার প্রিয়জনের কিছু ছবি জনপ্রিয় social website এ publish করেছিলাম।
রেঞ্জারকে তৈরীর সময় ওর মধ্যে আবেগ তইরীর জন্য পোগ্রাম করা হয়েছে ।জেল কতৃপক্ষ কাছে রিকুয়েষ্ট করায় ওকে আমার কাছে থাকার অনুমতি দেওয়া হয়। আমি সময় কাটানোর জন্য ওর সাথে দাবা খেলতাম ।ওর মেমোরীতে গ্রান্ডমাস্তারের প্রোগ্রাম দেওয়া আছে ।ওর সাথে আমি হঠাত দু এক ম্যাচ জেতা ছাড়া বেশীর ভাগ ম্যাচেই হারতাম ,ওর সাথে থাকায় আমার জেলের জীবন টা কিছুটা হলেও ভাল কাটত ।আমি রজণীর সাথে মাঝে মাঝে লাইভ চ্যাত করতাম ওর সাথে দেখা হত সপ্তাহে দু এক বার ।আমাকে দেখতে এসে ও খুব কান্নাকাটি করত ।আমার খুব খারাপ লাগত ।আমার যখন খুব খারাপ লাগত আমি ওকে নিয়ে ভাবতাম তখন রেঙ্গার আমার মাথায় হাত রাখত আর আমি লাইভ মনিটরে ওকে দেখতাম।
রেঞ্জার আমার কষ্ট বুঝেছিল
বারিষ্টার রফিক্রন মারা যাবার পর ওনার ব্রেনের নিউরন থেকে প্রয়োজনীয় লজিক নিয়ে রফিক্রন নামে একটি বারিষ্টার রোবট তৈরী করা হয়েছিল।রেঞ্জারের সাথে ওর ভালো বন্ধুত্ত ছিল।
রেঙ্গার আমার কথা ওকে বলেছিল।রফিক্রন আমার হয়ে হাইকোটে আপিল করে ।রিট্রনের মুখোশ উন্মোচন হয়।
রিট্রনের ১০ বছর সাজা হয়েছে কারন কাজটা ওই করেছিল ।এক আমার সাথে প্রতারনা ,দুই ওয়েব সাইট হ্যাক।
আমি ও আমার ইস্ত্রী এখন ভালই আছি।আমাদের সন্তান মিথুন এখন বড় হচ্ছে ।ওর ফুটবল খেলার জন্য আমি ওকে ওর বয়সী একটি রোবট তৈরী করে দিয়েছি
রেঞ্জারকে আমি ভুলিনি ।সময় পেলেয় আমি ওর সাথে লাইভ চ্যাটিং করি এবং ওকে দেখতে যাই।
আর দুই মাস পর ওর মক্তি হবে ।ও আমার এখন খুব ভালো বন্ধু।

আমাদের প্রিয় ইঁদুরটির বয়স ৪৪ বছর :: মাউস সম্পর্কে বিস্তারিত!!!

আমাদের প্রিয় ইঁদুরটির বয়স ৪৪ বছর :: মাউস সম্পর্কে বিস্তারিত!!!
বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম। আসসালামুআলাইকুম । সবাইকে আমার আন্তরিক প্রীতি, সম্মান, শুভেচ্ছা ও ভালবাসা জ্ঞাপন করছি। আশাকরি আল্লাহ্‌র অশেষ রহমতে সবাই ভালো আছেন।
প্রশ্নঃ মানুষ কি নিজের চেহারা সরাসরি দেখতে পায়?
উত্তরঃ না। আয়না কিংবা ছবির সাহায্যে দেখতে হয়।
রবীন্দ্রনাথের কবিতাটি মনে পড়ে গেলো-
“দেখিতে গিয়াছি পর্বতমালা,
দেখিতে গিয়াছি সিন্ধু।
দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়া,
ঘর হইতে দুই পা ফেলিয়া,
একটি ধানের শীশের উপর একটি শিশির বিন্দু”
ঠিক এমনি কম্পিউটার চালানোর সময় আমাদের ডান হাত দিয়ে আকড়ে ধরা মাউস সম্পর্কে আমরা অনেকেই জানি না। একবার কল্পনা করুন তো কম্পিউটারে মাউস বিহীন একটি দিনের কথা। মাউসে আমরা অভ্যস্থের চেয়েও বেশী অভ্যস্থ। আসুন জেনে নেয়া যাক মাউসের ইতিহাস।

কেমন করে মাউস এলো


মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার স্টানফোর্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউট ১৯৬৮ইং সালে একটি রিসার্চ টিমের বিশেষজ্ঞরা প্রথম প্রথম মাউস তৈরী করেন। তখন এটা ছিলো মূলত একটি এক্স ওয়াই পজিশন ডিভাইস। স্টানফোর্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউট ১৯৬৮ইং সালে একটি রিসার্চ টিমের বিশেষজ্ঞরা এমন একটি ইনপুট ডিভাইসের সন্ধানে ছিলেন- যা ট্রাকিং বল, লাইট প্যানেল বা জয়স্টিকের কাজ করতে সক্ষম হবে। কিন্তু দেখা গেলো মাউস তো এসব কাজ পারেই এবং ঐ সব ডিভাইসের চেয়ে অনেক দ্রুত গতিতে।

মাউসের নামকরণ


আমরা জানি ইংরেজি মাউস (Mouse) অর্থ বড় ইঁদুর আর Rat অর্থ ছোট ইঁদুর। রিসার্চ টিমের বিশেষজ্ঞরা যখন মাউস নিয়ে কাজ করছিলেন তখন ঐ টিমের সদস্যদের কেই একজন মাউস দেখতে অনেকটা ইঁদুর সাদৃশ্য বলে মাউস নামকরণ করেন এই ভেবে যে পরবর্তিতে কোনো সুন্দর নাম দিয়ে বাজারে ছাড়া হবে। কিন্তু মাউস নামটাই পরিচিত হয়ে ওঠে আর ঐ ৫-৬জনের কে মাউস নামটি দিয়েছিলো তা আর জানানো হয় নি।

প্রথম মাউসটি দেখতে কেমন ছিলো


প্রথম মাউসটি তৈরি করা হয়েছিলো কাঠের ব্লকে চাকা লাগানো এবং এর উপর একটি লাল রঙের বাটন ও পিছনে তার জুড়ে দেয়া হয়েছিলো।

কখন ও কিভাবে মাউস বাজারে এলো ও জনপ্রিয় হলো


১৯৬৮ইং সালে মাউস আবিস্কার হবার পরে ১৯৭০ইং সালে কমার্সিয়াল ব্যবহারের জন্য এর নতুন রূপ দেয়া হয়। ১৯৮১ইং সালে সর্বপ্রথম মাউস বাজারে ছাড়া হয়। কিন্তু মাউস জনপ্রিয়তা অর্জন করতে ব্যার্থ হয় কারণ তখন পারসোনাল কম্পিউটারের প্রচলন ছিলো না বললেই চলে। ১৯৮৪ইং সালে আবারও মাউস বাজারে  বাজারে আসার পরে মাউস নিয়ে ব্যাপক আলোড়ন পড়ে যায়। স্টিভ জবসের গ্রাফিক্যাল ইন্টারফেস ভিত্ত্বিক অপারেটিং সিস্টেম ম্যাক অপারেটিং সিস্টেমে মাউস অপরিহার্য হয়ে ওঠে। আর বিল গেটসের উইন্ডোজ তো মাউস ছাড়া কল্পনাই করা যেতো না।
তাহলে দেখা যাচ্ছে বর্তমানে মাউস আবিস্কারের বয়স ৪৪ বছর হয়েছে। আর একটি মজার ব্যাপার হলো এখনও ১০০% মানুষ মাউস ব্যাবহার করে না করে আনুমানিক ৯২% ব্যবহারকারী।
কষ্ট করে আমার এই টিউনটি দেখার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আমি আপনাদের ভালবাসায় সিক্ত ও পরিতৃপ্ত। আপনাদের ব্যাপক সাড়া আমার নিত্যদিনের প্রেরণা।
Design by MS Design

Powered by Blogger